কৃষকের জীবনে একটু নিশ্চিন্তি, একটু আশার আলো
PM Kisan Yojana 2025 : কৃষক—এই শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে এক কঠোর পরিশ্রমী মানুষের ছবি। যিনি সূর্যের আলো ফোটার আগেই মাঠে নেমে পড়েন, আর দিন শেষে হয়তো চিন্তায় ডুবে থাকেন—পরের মাসে ছেলেমেয়ের স্কুল ফি দেবেন কীভাবে, মায়ের ওষুধ কিনবেন কী দিয়ে। এমন বহু কৃষকের জীবনে খানিক স্বস্তির পরশ নিয়ে এসেছে প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি। বিষদে জানতে https://pmkisan.gov.in/ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ ভিজিট করুন ।
PM Kisan Yojana 2025: কিভাবে কাজ করে এই প্রকল্প ?

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য একটাই—PM Kisan Yojana 2025: কৃষকদের জন্য সুখবর, ব্যাঙ্কে ঢুকল ২০তম কিস্তির টাকা কৃষকের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দিয়ে তাঁদের কৃষিকাজ এবং পারিবারিক জীবনে কিছুটা নিশ্চয়তা এনে দেওয়া। ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে বছরে ৬ হাজার টাকা সরাসরি কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়, যা তিনটি কিস্তিতে ভাগ করে দেওয়া হয়।
২০তম কিস্তি পেলেন ৪১ হাজার কৃষক
সম্প্রতি, কুরুক্ষেত্র জেলার ৪১ হাজার কৃষকের অ্যাকাউন্টে ২০তম কিস্তির টাকা পৌঁছে গেছে। মোট প্রায় ৮ কোটি টাকা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্কে পাঠানো হয়েছে। শনিবার PM Kisan Yojana 2025: কৃষকদের জন্য সুখবর, ব্যাঙ্কে ঢুকল ২০তম কিস্তির টাকাএই উপলক্ষে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে কৃষকরা একযোগে লাইভ সম্প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণ শোনেন এবং নানা সরকারি কৃষি-সহায়ক প্রকল্প সম্পর্কে জানেন।
PM Kisan Yojana 2025: কারা এই সুবিধা পাবেন, কীভাবে মিলবে টাকা ?

অতিরিক্ত উপায়ুক্ত মহাবীর প্রসাদ জানিয়েছেন, এই প্রকল্প শুধুমাত্র সেই কৃষকদের জন্য, যাঁদের নামে চাষযোগ্য জমি রয়েছে এবং যাঁরা আয়কর দেন না। কেউ যদি এই প্রকল্পের আওতায় আসতে চান, তাঁকে অবশ্যই সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়াও, যাঁরা আগেই রেজিস্টার্ড হয়েছেন, তাঁদের সময়ে সময়ে ই-কেওয়াইসি করানো বাধ্যতামূলক।
ডিডিএ ড. কর্মচাঁদ জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের আওতায় শুধুমাত্র কুরুক্ষেত্র জেলাতেই এখন পর্যন্ত ২৬ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশি কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বিষদে জানতে https://pmkisan.gov.in/ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ আসুন ।
উপস্থিতি ও জনসচেতনতামূলক প্রচার
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী, ড. বলজিত সহারণ, সহকারী স্ট্যাটিস্টিকাল অফিসার নীতু রায়, প্রকল্প আধিকারিক গর্ব বঠলা, এবং আরও অনেকে।
সাধারণ মানুষকে জানানো হল আইন সহায়তা পরিষেবার কথাও
অন্যদিকে, এই দিনেই জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (DLSA) একটি সচেতনতা শিবির আয়োজন করে। মালিকপুর গ্রামে PLV বিশাল সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন সরকারি আইন সহায়তা পরিষেবা সম্পর্কে সচেতন করেন। তাঁরা NALSA-র বিভিন্ন স্কিম (মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য আইন সহায়তা, বয়স্কদের জন্য আইন সহায়তা, শ্রমিকদের জন্য সহায়তা) সম্পর্কে জানান। এছাড়া, POCSO অ্যাক্ট, ভিক্টিম কেয়ার সিস্টেম সম্পর্কেও আলোচনা হয়। সাধারণ মানুষের হাতে সচেতনতা বাড়াতে লিফলেটও বিতরণ করা হয়।
সরকারের পাশে কৃষক, সাধারণ মানুষের পাশে আইন
এই উদ্যোগগুলি কৃষকদের শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, জীবনের প্রতি আস্থা ও সম্মান ফিরিয়ে দিচ্ছে। একদিকে কৃষকদের পাশে সরকার, অন্যদিকে তাঁদের অধিকার রক্ষায় আইন পরিষেবা—এই মিলনই গড়ে তুলছে এক শক্তিশালী গ্রামীণ ভারত।
Disclaimer:
এই প্রতিবেদনটি বিভিন্ন সংবাদসূত্র ও অফিসিয়াল বিবৃতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য পাঠককে অনুরোধ করা হচ্ছে সরকারিভাবে স্বীকৃত https://pmkisan.gov.in/ ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে।

